সচেতনতা মূলক ও সতর্কতা মূলক পোষ্ট:
আমি আগের দিন যে রোগীগুলো দেখেছি তার ভেতর ২টা ক্যান্সারের পেশেন্ট। এই ২ জন পেশেন্টেরই Malignant Cell- Carsinoma Cell রিপোর্টে এসেছে। MBBS এলোপ্যাথি ডাক্তারগণ এই রোগীর স্বজনদের বলেছে এর কোন ট্রিটমেন্ট নাই। এখন আমার খ্যাতি শুনে আমার কাছে এসেছে। আসলে একবার ক্যান্সারের জার্ম চলে আসলে আর তেমন কোনো কিছু করার থাকে না। শান্তনা মূলক চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। তবে ভাগ্য ভালো থাকলে ২,১ জন সুস্থ হয়।
একটা প্রশ্ন হচ্ছে এখন বাংলাদেশে ক্যান্সারের পেশেন্ট এতো বেশি কেনো?
এখন আধুনিক গবেষণা বলছে এই ক্যান্সারের অন্যতম কারণ আমাদের খাবার। চাউল হতে শুরু করে সবজি পর্যন্ত সবকিছুতে সার, ঔষধ, কিটনাশক বিষ, এই গুলো ব্যাবহার করা হচ্ছে এবং পোল্ট্রি মুরগি হতে শুরু করে গরু পর্যন্ত প্রাণীগুলোতে বিভিন্ন এন্টি বায়োটিক হতে শুরু করে বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হচ্ছে তাই এসব ক্যান্সারের জন্য দায়ী। এছাড়া বিভিন্ন ফার্স্ট ফুডও ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ফলে ফরমালিন সহ বিভিন্ন ক্যামিক্যালও এই ক্যান্সারের জন্য দায়ী।
সুতরাং, সবাই অর্গ্যানিক খাবার বেশি মূল্যের হলেও তা খাওয়ার চেষ্টা করুন। আর কৃষক ভাইয়েদেরও বোলবো আপনারা অর্গ্যানিক ভাবে উৎপাদন করুন এবং ন্যায্য মূল্য বিক্রি করুন।
ইউরোপে সবাই অর্গ্যানিক খাবার খায় তাই তাদের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুবই কম।

