এই নির্দেশনাটি তাদের জন্য যারাঃ
> ডায়াবেটিস ও হাই-প্রেসার ঔষধ বা ইনসুলিন ছাড়াই সুস্থ থাকতে চান।
> অথবা, যারা ওজন কমাতে চান, লিভারের চর্বি দূর করতে চান এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে চান।
শতভাগ সুফল পেতে নিম্নোক্ত স্টেপগুলো অবশ্যই মানতে হবেঃ
সকলের রুটিন:
- ভোর ৫টায় বা তার আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। (“Early to bed and early to rise makes a man healthy, wealthy and wise” – Ben Franklin)
- তারপর মর্নিং ওয়াক করে তারপর সামান্য কিছু শারীরিক ব্যয়াম করতে হবে।
- তারপর প্রথমে একটু বেশি করে পানি খেতে হবে।
- সকালের খাবারের ভাত খাওয়া যাবে না।
- ১টা গ্রীন টি বা এপেলসিডার ভিনেগার বা লেবু জুস খাবেন। তবে এগুলো দুধ, চিনি ছাড়া খেতে হবে।
- যদি একান্ত খাবার খেতেই চান তবে ১টা ডিম বা কিছু শাকশব্জি খেতে পারেন।
- সকালে- ব্রেক ফাস্ট বা সকালের নাস্তা না খাওয়াই ভালো।
দুপুরের রুটিন:
- দুপুর ২টায় খাবার খেতে হবে বা লাঞ্চ করতে হবে।
- পেটের খুদাকে ৩ ভাগ করবেন।
- প্রথম ১ভাগ পানি খেয়ে পূরন করবেন।
- দ্বিতীয় ভাগ রেগুলার খাবার দিয়ে পূর্ণ করবেন। সাথে শশা খেতে পারেন। অর্গানিক ফুড (যে খাবারে উৎপাদন হতে শুরু করে খাওয়ার উপযোগী পর্যন্ত সম্পূর্ন রাসায়নিক সার, ঔষধ ইত্যাদি মুক্ত) খেতে চেষ্টা করবেন।
- শেষের ভাগ খালি রাখবেন।
- পেটের খুদাকে ৩ ভাগ করবেন।
বিকাল ও সন্ধ্যার রুটিন:
- বিকালে হালকা নাস্তা করবেন।
- সন্ধায় ১টি চা ও কিছু হালকা খাবার খেতে পারেন।
রাতের রুটিন:
- রাতে এশার নামাযের পর বাসায় চলে যাবেন। বিলম্ব করবেন না!
- রাত ৯টার ভেতর খাবার খেতে হবে বা ডিনার করতে হবে।
- পেটের খুদাকে ৩ ভাগ করবেন।
- প্রথম ১ভাগ পানি খেয়ে পূরন করবেন।
- দ্বিতীয় ভাগ রেগুলার খাবার দিয়ে পূর্ণ করবেন। সাথে শশা খেতে পারেন। অর্গানিক ফুড (যে খাবারে উৎপাদন হতে শুরু করে খাওয়ার উপযোগী পর্যন্ত সম্পূর্ন রাসায়নিক সার, ঔষধ ইত্যাদি মুক্ত) খেতে চেষ্টা করবেন।
- শেষের ভাগ খালি রাখবেন।
- পেটের খুদাকে ৩ ভাগ করবেন।
- রাত ১১ টার ভেতর ঘুমাতে হবে।
- ঘুমানোর ২ ঘন্টা আগে থেকে পানি ছাড়া কিছু খাওয়া যাবে না।
Restriction:
- চিনি জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না।
- লবন অল্প খাবার খেতে হবে ও এক্সট্রা লবন খাওয়া যাবে না।
টিপস:
- খাবার গুলো ভালো করে চিবিয়ে খেতে হবে তাতে খাবারে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলো ভালোভাবে পাওয়া যাবে।
- সয়াবিন তেলের বিকল্প সরিষা তেল, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল খাওয়া উত্তম।
- বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন- ডিম, মাখন, ঘি, কাঁচা বাদাম, শাকসব্জি, গোশ ইত্যাদি।
>এসব করলে বেনিফিট হচ্ছে- ফ্যাট বার্নিং শুরু হবে বা ফ্যাট মেটাবলিজম শুরু হবে এবং ডায়াবেটিস ও হাই-প্রেসার ওষুধ ছাড়াই পুরো নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে মোটেও ঔষধ লাগবে না এবং আরও একটি বেনিফিট হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
>আরো ভালো পদ্ধতি হচ্ছে- ফাস্টিং করুন বা রোজা রাখুন তাহলে ডায়াবেটিস ও হাই-প্রেসারতো নিয়ন্ত্রণে আসবেই সাথে লিভারে চর্বি থাকলে কেটে যাবে এবং ৯০% এর উপরে রোগ সেরে যাবে এবং সচারাচার কোন রোগে আক্রমন করতে পারবে না।
Diabetes, High Pressure, Obesity Guide.
